গাইবান্ধা-৩(পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনে কে হচ্ছেন নৌকার কান্ডারী।।একুশে মিডিয়া - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Friday 9 November 2018

গাইবান্ধা-৩(পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনে কে হচ্ছেন নৌকার কান্ডারী।।একুশে মিডিয়া


মোঃ শাহরিয়ার কবির আকন্দ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩১- গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের ৯ প্রার্থীসহ আরো অনেকে নিজেদেরকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।
কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি ?
এ নিয়ে বর্তমানে হোটেল রেস্তোরাসহ সর্বত্র আলোচনার ঝড় শুরু হয়েছে । নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ।
আওয়ামী লীগের ৯ প্রার্থীসহ আরো বেশ কয়েকজন প্রার্থী কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করলেও মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্যসহ হেভিওয়েট ৫ প্রার্থী।
এদের মধ্যে রয়েছেন, বর্তমান এমপি ডাঃ মোঃ ইউনুস আলী সরকার, পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু বকর প্রধান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, বর্তমান মহিলা সংরক্ষিত (গাইবান্ধা-জয়পুরহাট) আসনের সাংসদ উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ও ডাঃ আজাদ।
অন্যরা হলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ)মাহমুদুল হক, মাজেদার রহমান দুলু, জরিদুল হক, শাহরিয়ার খান বিপ্লব। মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা সকলেই নিজের পক্ষ থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পাবেন বলে শতভাগ আশাবাদী। এরই মধ্যে সাদুল্যাপুর ও পলাশবাড়ী এলাকার বিভিন্ন জায়গায় নৌকায় ভোট চেয়ে নিজের ছবি সম্বলিত পোষ্টার ও ফেষ্টুন লাগিয়েছেন অনেকে।
বর্তমান এমপি ডাঃ ইউনুছ আলী সরকার গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয় এবং নির্বাচিত হন।
র্বতমান এমপি মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে ভীষণ আশাবাদী। তিনি ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বা‌চিত হওয়ার পর থেকে নির্বাচনী এলাকার রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করার পাশাপাশি ব্যাপক গণসংযোগ এবং শো-ডাউনসহ নানামুখী দলীয় র্কাযক্রম চালিয়ে যাওয়াসহ রাজনৈতিক- সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে প্রচার প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজলো আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ ।
তিনি তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন আওয়ামী লীগে তরুন নেতা। ইতিপূর্বে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও বিগত সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগরে হেভিওয়েট মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।
এমনকি প্রথম র্পযায়ে তার প্রার্থীতা নিশ্চিত হলেও দলের নিদের্শনায় সরে পড়নে তিনি।
একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে তিনি বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ দুই উপজেলার সর্বস্তরের মানুষেরর মাঝে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের গুরুত্বর্পূণ স্থান সমুহের পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা ও গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এলাকায় সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
অপরদিকে পরীক্ষিত ও নির্যাতিত বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেতা আবু বকর প্রধান।
তিনিও মনোনয়ন প্রত্যাশা করে দলীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন। এলাকার তৃর্ণমুল পর্যায়ে গণসংযোগসহ ব্যাপক প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন।
বতর্মান সংরক্ষিত (গাইবান্ধা-জয়পুরহাট) মহিলা আসনের এমপি ও কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারান সম্পাদক এ্যাডঃ উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তিনিও এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে কেন্দ্রে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি এলাকায় মোটরসাইকেল শো-ডাউনসহ জোড়েসোড়ে গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।
গাইবান্ধা জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. শাহ্ মোঃ ইয়াকুব-উল- আজাদ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় মোটরসাইকেল শো -ডাউনসহ গনসংযোগ করেছেন।
জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও ৯নং হরিনাথপুর ইউনিয়নের তিন বারের নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বর্তমান গাইবান্ধা জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাডঃ জরিদুল হক।
তিনিও মনোনয়ন প্রত্যাশা করে দলীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন। এলাকায় গণসংযোগসহ বিভিন্ন প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন।
গাইবান্ধা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ৮নং মনোহরপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাজেদার রহমান দুলু তিনিও মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এলাকায় গণসংযোগ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ)মাহমুদুল হক, তিনিও এ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে ঘোষণা দিয়ে তার লোকজন দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন।
তিনি নিজেও ঢাকা থেকে এলাকায় এসে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক শাহরিয়ার খান বিপ্লব এ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে ঘোষণা দিয়ে তার লোকজন দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন । তবে সকল প্রার্থীই বলছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোয়ন দিবেন আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।
অপরদিকে মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টি থেকে এ আসনে প্রার্থী হিসেবে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পি। আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জোটগত ভাবে নির্বাচন করলে এবং এ আসনটি অপর শরীক দল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিলে আওয়ামী লীগের উল্লেখিত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সকল আশা নিরাশায় পর্যবসিত হবে।
এ আসনটি আওয়ামী লীগ রাখবে নাকি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেবে এ নিয়েও চলছে জন সাধারনের মাঝে ব্যাপক জল্পনা কল্পনা।
একুশে মিডিয়া।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages