ঢাকা -১ আসনে প্রার্থী হতে ঘোষণা সালমান এফ রহমান-একুশে মিডিয়া - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Saturday 3 November 2018

ঢাকা -১ আসনে প্রার্থী হতে ঘোষণা সালমান এফ রহমান-একুশে মিডিয়া


একুশে মিডিয়া, মোঃ জাকির হোসেন, দোহার (নবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, ঠিক আছে এবার আমি দাঁড়াবো। আগামী নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগ থেকে দাঁড়াচ্ছি। আসুন সম্মিলিতভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকা- ১ সিটটা উপহার দেই।’একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ঢাকা-১ আসন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। আজ সন্ধ্যায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা জেলার দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে ঢাকা-১ আসন গঠিত। এই আসনে বর্তমান এমপি হচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। তিনি যমুনা গ্রুপের মালিক নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী।এর আগে এই আসনে এমপি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান।
বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট কোম্পানি বা বেক্সিমকো তাদের যাত্রা শুরু করেছিলো ১৯৭২ সালে । বেক্সিমকোর প্রতিষ্ঠাতা এবং ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান । বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথমবারের মতো উঠে এসেছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের নাম। তিনি ১৩০ কোটি ডলারের মালিক।২০০১ সালের নির্বাচনে সালমান এফ রহমান প্রায় ২৩০০ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান নাজমুল হুদার কাছে।
অবশ্য আওয়ামীলীগের একটি গ্রুপ সে নির্বাচনে সালমানকে প্রত্যক্ষ সমর্থন দেয়া থেকে বিরত থাকে। যেটি তার নির্বাচনে পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ বলেও তিনি নিজে মানেন।২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক রকম দোহারে অবাঞ্চিত হয়ে পড়েছিলেন সালমান এফ রহমান। দোহারে প্রবেশ নিয়ে তিনি বার বার বাধার সম্মুখীন
হয়েছেন, বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুরকে নিয়ে দোহারে প্রবেশ করতে গিয়ে হয়েছেন হামলার শিকার। আর সে সময় বেক্সিমকো গ্রুপও অতিক্রম করে ব্যবসায়িকভাবে সবচেয়ে ক্রান্তিকাল।
২০০৬ সালে শেষ বারের মতো জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে এসেছিলেন দোহারে। তারপর সেনা সমর্থিত মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের সময় দেশের রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সাথে তিনিও আটক হন সেনা সমর্থিত সরকারের হাতে। পরে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।
ছাড়া পান জেল থেকে। কিছু দিন ব্যবসায় নিয়ে ব্যস্ততার কারণে ও রাজনীতি থেকে দূরে থাকায়; দূরে ছিলেন দোহার থেকেও।কিন্তু টানা ২য় বারের মতো ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় রাজনীতিতে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে আবির্ভূত হন সালমান এফ রহমান।মনোনীত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা প্যানেলে।
শেখ হাসিনার বেসরকারী বিনোয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োগ পান এই ব্যবসায়ী।ফলে রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামীলীগে সক্রিয় না থাকলেও বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্য সন্তান ও প্রধানমন্ত্রীর বড় ভাই শেখ কামালের বন্ধু – সালমান এফ রহমান পরিনত হন বাংলাদেশে সরকারের অন্যতম শীর্ষ প্রভাবশালী এক ব্যক্তিতে।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে তাকে প্রায়ই দেখা যেত রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামে।কিন্তু ২০১৪ সালের নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির সালমা ইসলাম, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা।ফলে ক্ষমতায় থেকেও দোহার উপজেলায় ক্ষমতার বাইরে চলে যায় আওয়ামী লীগ।
২০১৪ সালের নির্বাচনেও দোহারে জাতীয় পার্টির পক্ষে কাজ করে আওয়ামী লীগের বড় একটা অংশ। ফলে ঢাকা ১ আসন হারায় আওয়ামী লীগ। আগের মতোই দ্বীধা বিভক্ত আওয়ামী লীগ হারিয়ে ফেলে উপজেলা পরিষদও।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages