![]() |
মোহাম্মদ ছৈয়দুল আলম:>>>
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক গত বছরের জানুয়ারী মাসে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলায় আটটি থানা বাড়ানোর উদ্যোগে নিয়েছিল। পাঁচটি থানা বাড়ানোর
প্রস্তাবের উপর গণশুনানি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এবং গণশুনানির
প্রতিবেদনটি গত বছর জানুয়ারী মাসের ২৭ তারিখ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়ে ছিল।
কিন্তু দেড় বছর দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এসব প্রস্তাবিত চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার আটটি থানার কার্যক্রম শুরু হয়নি।
উল্লেখ্য, এই
বছরের (২০১৮) মধ্যেই নতুন পাঁচ থানার কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন তাককালীন চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার (এসপি) নূরে আলম মিনা সভায় বলেছিলন।
প্রস্তবিত থানাগুলো হচ্ছে, চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষিণ রাউজান, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া, পশ্চিম পটিয়া বা
কালারপোল এবং সাঙ্গু।
এছাড়া
চট্টগ্রামের উত্তরে ও দক্ষিণে দুটি মিনি পুলিশ লাইন স্থাপনের উদ্যোগেও গতি
এসেছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়ে ছিল।
পাঁচটা থানার
গণশুনানি হয়ে গেছে। তাককালিন ডিসি (চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক) সাহেবের প্রতিবেদনও সদর দফতর হয়ে
মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়ে ছিল বলেও সংবাদ মাধ্যম এ প্রকাশ হয়।
সূত্রমতে, স্বাধীনতার পর চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলায় ১৪টি থানা নিয়ে যাত্রা
করেছিল চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। ২০১২ সালে মিরসরাইকে ভেঙ্গে জোরারগঞ্জ এবং ফটিকছড়িকে
ভেঙ্গে ভুজপুর থানা স্থাপন করা হয়েছিল।
প্রস্তাবিত আরও তিন থানা হচ্ছে সীতাকুণ্ড থানাকে ভেঙে ভাটিয়ারি, ফটিকছড়ি
থানাকে ভেঙ্গে মাইজভাণ্ডার এবং বাঁশখালীকে ভেঙে উত্তর বাঁশখালী থানা। তবে
প্রস্তাবিত এসব থানার জন্য এলাকায় গিয়ে গণশুনানি আয়োজন করেনি জেলা
প্রশাসন।
বর্তমানে ১৬ থানায় জনবল রয়েছে প্রায় আড়াই
হাজার। এই বিশাল চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনসংখ্যা বেড়ে এখন ৮০ লাখে পৌঁছেছে।
![]() |
২০১৫ সালে চট্টগ্রামের তৎকালীন পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার দায়েত্বরত অবস্থায় চট্টগ্রামে দশটি
থানা বাড়ানোর প্রস্তাব সদর দফতরে পাঠিয়েছিলেন বলেও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়।
২০১৫ সালে দায়েত্বরত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোঃ জিল্লুর রহমান চৌধুরী মিডিয়াতে প্রকাশ করেছিল, আমি রাঙ্গুনিয়া এবং চন্দনাইশ-সাতকানিয়া থানাকে বিভক্ত
করার যে প্রস্তাব সেটার উপর এলাকায় গিয়ে গণশুনানি করেছি।
সেখানকার এমপি
সাহেবরাও আমাকে থানা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন। আরও কয়েকজন এমপি
সাহেব অনুরোধ করেছেন। আমি চট্টগ্রামে আসার আগেই আরও দুটি থানার জন্য
গণশুনানি হয়েছে।
সূত্রমতে, পাঁচটি থানার মধ্যে হাটহাজারী উপজেলাকে দুইভাগে বিভক্ত করে
নতুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থানা করা হচ্ছে। সাতকানিয়া উপজেলা এবং
চন্দনাইশ উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে সাঙ্গু থানা করা হচ্ছে। রাউজান থানাকে
ভেঙে দক্ষিণ রাউজান, পটিয়া থানাকে ভেঙে পশ্চিম পটিয়া বা কালারপোল এবং
রাঙ্গুনিয়া থানাকে ভেঙে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া করা হচ্ছে।
একুশে মিডিয়া/এমএসএ
No comments:
Post a Comment